বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
নিজ দেশের বাইরে সিনেমা মুক্তি দিচ্ছে অনেক দেশ। বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের অনেক সিনেমা বিপুল আয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার মতো উন্নত দেশে সিনেমা মুক্তি দিয়ে। বাংলাদেশের সিনেমা এখন শুধু দেশের প্রেক্ষাগৃহেই নয়, দেশের গণ্ডি পেরিয়ে মুক্তি পাচ্ছে ভিন দেশেও। আন্তর্জাতিক নানা উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমা প্রশংসিত হলেও পিছিয়ে ছিল বাণিজ্যিকভাবে। তবে কিছুদিন ধরে বহির্বিশ্বে বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশের সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। সিনেমাগুলো মোটামুটি সাড়াও পাচ্ছে। দেশি সিনেমা দেখার সুযোগ পেয়ে প্রবাসী বাংলাভাষী দর্শকও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এতে বাণিজ্যিকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি সিনেমা সম্ভাবনার জোরালো একটা পথ তৈরি হচ্ছে।
বিদেশে বাংলা ছবি প্রদর্শনের যাত্রাটা শুরু হয় ২০১৬ সালের দিকে। সে সময় প্রতিষ্ঠানগুলো মিলনায়তন ভাড়া করে ‘অস্তিত্ব’, ‘মুসাফির’, ‘সম্রাট’ প্রদর্শন করে। শুরুর এ প্রক্রিয়াতে ছবিগুলো অতটা সুবিধা করতে পারেনি। পরে ‘শিকারি’, ‘আয়নাবাজি’, ‘নবাব’, ‘দেবী’, ‘ঢাকা অ্যাটাক’, ‘স্বপ্নজাল’ দেশের বাইরে বেশ সাড়া ফেলে। বাজার খুলতে থাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে; যার রেশ ধরে ‘হাওয়া’, ‘পরাণ’ এবং সর্বশেষ আলোচিত ছবি ‘প্রিয়তমা’ ও ‘সুড়ঙ্গ’ মুক্তি পেয়েছে। এবার মুক্তি পেল আলোচিত সিনেমা ‘এমআর ৯: ডু অর ডাই’। শুক্রবার দেশে ও দেশের বাইরে একযোগে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ১৫১টি প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাচ্ছে ‘এমআর ৯: ডু অর ডাই’। সিনেমাটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক সংস্থা ‘স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো’র প্রেসিডেন্ট অলিউল্লাহ সজীব বলেন, ‘আমাদের সিনেমা আমেরিকা ও কানাডার ১৫০টির বেশি থিয়েটারে একযোগে চলছে, এ অবিশ্বাস্য ঘটনা এখন বাস্তব।’ মাসুদ রানা অবলম্বনে ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বলে দাবি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টমিডিয়ার। ‘এমআর ৯: ডু অর ডাই’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলিউড নির্মাতা আসিফ আকবর।